আকাশ বার্তা
Next Prev

দেবাদিদেব মহাদেবের এই মহা 'মৃত্যুঞ্জয় মন্ত্র', পাঠে দূর হয় বিপদ ও খারাপ সময়, আসে অর্থ

শিবের এই 'মহামৃত্যুঞ্জয়' মন্ত্র পাঠে দূর হয় আর্থিক দুঃসময়, র হয় বিপদ ও খারাপ সময়!

আকাশবার্তা অনলাইন ডেস্ক:- আমরা যখন বিপদগ্রস্ত হয় তখন সর্বপ্রথম ঈশ্বরের শরণাপন্ন হয়। শুধুমাত্র বিপদ নয় তার পাশাপাশি সুখের সময়েও কিন্তু আমরা ঈশ্বরকে স্মরণ করে থাকি। বর্তমানে চারিদিকের পরিবেশ অশান্ত। এবং এই অশান্ত পরিবেশ সাথে সাথে অশান্ত হয়ে উঠেছে আমাদের মানসিক অবস্থা। তাই মানসিক শান্তি পেতে চাইছে প্রতিটি মানুষ। অর্থ কখনোই মানসিক শান্তি কে পরিপূর্ণ করতে পারেনা। আমাদের জীবনে এমন কিছু জিনিস থাকে যেগুলো আমাদের মনে শান্তি ফিরিয়ে আনতে পারে।


এক নজরে আজকের সমস্ত ব্রেকিং নিউজ

ঈশ্বর সাধনা বা ঈশ্বরকে স্মরণ করা তারই মধ্যে অন্যতম একটি উপায়। মনের শান্তি কে ফিরিয়ে আনার জন্য অনেকেই দেবাদিদেব মহাদেবের শরণাপন্ন হোন। কেউ শিবের মাথায় সোমবার দিন জল ঢালে, কেউ পায়ে বেলপাতা দেন, আবার কারো কারো বাড়িতে নিরামিষ খাবার দাবার চলে। কিন্তু এসবের পাশাপাশি আপনি যদি শিবের এই মহা মৃত্যুঞ্জয় মন্ত্র টি প্রতিদিন উচ্চারণ করেন তাহলে কিন্তু আপনার মানসিক শান্তি আসবে। তার পাশাপাশি আপনার চারপাশের পরিবেশের উন্নতি ঘটবে।

আরও পড়ুন - জীবনে খারাপ সময় আসলে মেনে চলুন শ্রীকৃষ্ণের এই তিনটি কথা, খারাপ সময় কেটে আসবে সুসময়

মহা মৃত্যুঞ্জয় মন্ত্র সম্পর্কিত পুরাণকথা:

এই মহা মৃত্যুঞ্জয় মন্ত্র সম্পর্কে পুরাণে একটি কাহিনী রয়েছে। সেই কাহিনী অনুসারে এমনটা বলা হচ্ছে যমরাজ, মৃকান্দা ঋষির মাত্র ১২ বছর বয়সী পুত্রকে নিয়ে যেতে এসেছিলেন। কিন্তু সেই সময় তার ছেলে মহা মৃত্যুঞ্জয় মন্ত্র জপ করেছিলেন। যে মৃত্যুঞ্জয় জপ কে উপেক্ষা করে যমরাজ তার ছেলেকে নিয়ে যেতে পারেননি। কারণ তিনি জানতেন যদি এই মন্ত্রকে উপেক্ষা করে তিনি তার সন্তানকে নিয়ে চলে যান তাহলে তাঁকে মহাকালের রোষানলে পড়তে হবে। বালক মার্কণ্ড নিজের প্রাণের ভয়ে মৃত্যুঞ্জয় মন্ত্রের রচনা করেছিলেন।

কি সেই মন্ত্র:

ওঁ ত্রম্বকং য্জামহে সুগন্ধিং পুষ্টিবর্ধনম্। উর্বারূপমিব বন্ধনান মৃতৌমোক্ষীয় মামৃতাত 

আরও পড়ুন - বাড়িতে প্রাত্যহিক জীবনে ঘটে যাওয়া এই ঘটনাগুলি আমাদের জীবনে খারাপ কিছুর ইঙ্গিত বহন করে!

মহা মৃত্যুঞ্জয় মন্ত্র পাঠের নিয়ম:

শাস্ত্রমতে এমনটাই জানানো হচ্ছে যে সপ্তাহের শুরুর দিন অর্থাৎ সোমবার দিন যদি এই মন্ত্র ১০৮ বার উচ্চারিত করা হয় দেবাদিদেব মহাদেবের সামনে তাহলে তিনি সন্তুষ্ট হন। এবং মানসিক শান্তি ফিরে আসে, জরা ব্যাধি দূর হয়ে যায়।বেলপাতা, ধুতুরা, আকন্দ, অপরাজিতা, কলকে প্রভৃতি ফুল শিবের প্রিয় বলে জানা যায়। তবে মহাদেব বেলপাতাতেই সবচেয়ে বেশি তুষ্ট হন। তাই যে কোনও একটি দিয়ে নিষ্ঠা করে পুজো করলেও সন্তুষ্ট হন ভোলেনাথ।

আপনি কী এই নিউজগুলি পড়েছেন? পড়ুন আজকের বাছাই করা ব্রেকিং নিউজের আপডেট

রাজনীতি

তথ্য ও প্রযুক্তি

বিনোদন