আকাশ বার্তা
Next Prev

শ্রীকৃষ্ণের মৃতদেহ সৎকারের সময় তার শরীরের কোন অঙ্গটি জ্বলেনি, আজও প্রমাণ মেলে পুরানে

শ্রীকৃষ্ণের মৃতদেহ সৎকারের সময় তার শরীরের কোন অঙ্গটি জ্বলেনি, জানেন?

নিজস্ব প্রতিবেদন:-আমরা হয়তো এখন অনেকখানি আধুনিক হয়েছি । এখনকার প্রজন্মের ছেলেমেয়েরা পুরাণে ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলোকে হয়তো হাসির খোরাক রূপে গ্রহণ করতে পারে । কিন্তু এমন টা অস্বীকার করার কোন উপায় নেই যে পুরাণে যে সমস্ত ধর্ম গ্রন্থ গুলি রয়েছে এবং সে ধর্মগ্রন্থে যে সমস্ত বিষয় বা কথার উল্লেখ রয়েছে সেগুলি বাস্তব রূপ রয়েছে আজও অব্দি ।  পুরাণ অনুসারে এমনটা মনে করা হয় যে ভক্তের ভগবান শ্রীকৃষ্ণের অন্তিম সংস্কার সময় একটি অঙ্গ পুড়ে যায়নি  । শত চেষ্টা করার পরও সেই অঙ্গটি একই থেকে গিয়েছিল ।  যদিও ভগবানের মৃত্যু কখনো হয়না বরং তার দেহ বিলীন হয়ে যায় এই মহাবিশ্ব এ ।

এক নজরে আজকের সমস্ত ব্রেকিং নিউজ

জীবনে গীতার তাৎপর্য:-শ্রীমদ্ভগবদগীতা উল্লেখ রয়েছে শ্রীকৃষ্ণের উপদেশ এবং বাণীসমূহ  । এমনটা মনে করা হয় যে শ্রীকৃষ্ণের আদেশ ছাড়া পৃথিবীতে একটি ঘাস ও জন্ম নেই না । এই সংসারের যাবতীয় যা সমস্ত কাজকর্ম বা ঘটনা ঘটে চলেছে প্রতিনিয়ত তা ভগবানের ফলেই হচ্ছে  । শ্রীকৃষ্ণের ভালোবাসা এবং মানুষের প্রতি যে করুন মনোভাব সেটা বরাবরই আমাদেরকে আরো সামনের দিকে অর্থাৎ জীবনের সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করে  ।

আরও পড়ুন-রাস্তায় মৃতদেহ নিয়ে যেতে দেখলে কি হয়, কারোর অন্তিম সংস্কারে শ্মশানে গেলে কি হয়, জানুন কি বলছে গরুড় পুরান!

কুরুক্ষেত্র কেন হয়েছিল:-কুরুক্ষেত্র যুদ্ধ কেন হয়েছিল সে কথা কম বেশি হয়তো অনেকেই জানি ।। মূলত ধর্মকে সামনে রেখেই এবং ধর্মের কি মহাত্ত সেটা প্রতিষ্ঠা করার জন্য বা বোঝানোর জন্যই শ্রীকৃষ্ণের দ্বারা এই যুদ্ধ পরিচালিত হয়েছিল ।  শ্রীকৃষ্ণ যুধিষ্ঠির কে এ কথা  বারবার এমনটা বোঝানোর চেষ্টা করলেও তিনি তার সিদ্ধান্তে অনড় ছিলেন  । তাই  কুরুক্ষেত্র যুদ্ধ ছাড়া কোনো উপায় ছিল না তার কাছে  । এই যুদ্ধে তিনি ধর্মের পক্ষে ছিলেন এবং গান্ধারী যখন দেখে যে  যুদ্ধশেষে যুধিষ্ঠির মারা গেছে এবং তার সমস্ত পুত্ররা মারা গেছেন তখন তিনি শ্রীকৃষ্ণ কে অভিশাপ দিয়েছিলেন যে আজ থেকে ৩৬ বছর পর তার মৃত্যু ঘটবে।

শ্রী কৃষ্ণের কোন অঙ্গ নষ্ট হয়নি:-ভগবান শ্রীকৃষ্ণ কেন মৃত্যু ঘটেছিল সে ব্যাপারে হয়তো আমরা কমবেশি অনেকেই জানি ।  মৃত্যু বললে সম্পূর্ণ রকম ভাবে ভুল হবে।   বরং তার দেহ বিলীন হয়ে গিয়েছিল এই মহাবিশ্বে এবং তিনি  পরমধাম এ গমন করেছিলেন । যদু বংশের বিলুপ্তি ঘটে জন্য একমাত্র তিনি অপেক্ষা করছিলেন । কিন্তু এমনটা মনে করা হয় যে তার অন্তিম সংস্কার করা হয়েছিল । যদিও বাস্তবে কিন্তু তেমনটা হয়নি ।

আরও পড়ুন-দুর্গাপুজোয় ভক্তিভরে গৃহে আনুন এই পাঁচ বস্তু, আর্থিক দুরবস্থা কেটে আসবে সুসময়!

তবুও বিভিন্ন মুনিঋষি এবং পুরান গ্রন্থ থেকে এমনটা জানা যায় যে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের অন্তিম সংস্কার করা হয়েছিল ।। এবং অন্তিম সংস্কার করার সময় আগুনে একটি জিনিস পুড়ে যায় নি সেটি হল ভগবান শ্রীকৃষ্ণের হৃদপিণ্ড  ।এই ভগবান শ্রীকৃষ্ণের হৃৎপিণ্ড তখনও পর্যন্ত কাজ করছিল  ।যার ফলে সেই হৃদপিণ্ডকে একটি কলার  ভেলা তে সমুদ্রে ভাসিয়ে দেওয়া হয় এবং এই হৃৎপিণ্ডটি রাজা ইন্দ্রিয়াম এর কাছে এসে উপস্থিত হয়  । রাজা   ইন্দ্রিয়াম জগন্নাথ দেবের ভক্ত ছিলেন  ।তাই এই হৃদপিণ্ড এর উপর তিনি  প্রতিস্থাপন করেন জগন্নাথ দেবের মূর্তি   ।

আপনি কী এই নিউজগুলি পড়েছেন? পড়ুন আজকের বাছাই করা ব্রেকিং নিউজের আপডেট

রাজনীতি

তথ্য ও প্রযুক্তি

বিনোদন