আকাশ বার্তা
Next Prev

'লক্ষীর ভান্ডার-স্বাস্থ্যসাথী সব ভাওতাবাজি',- ফের মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ দিলীপ ঘোষের

'লক্ষীর ভান্ডার-স্বাস্থ্যসাথী সব ভাওতাবাজি',- বললেন দিলীপ ঘোষ

আকাশবার্তা অনলাইন ডেস্ক : সার্বিক স্বাস্থ্যসুরক্ষা কার্যক্রমের আওতায় আনার পথে প্রথম ধাপ ছিল প্রতিটি মানুষের জন্য সরকারি হাসপাতালে নিখরচায় চিকিৎসা পরিষেবা দেওয়া। এবার রাজ্য সরকার ঘোষণা করেছে সরকারি হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার ক্ষেত্রে রোগীকে স্বাস্থ্যসাথী অথবা যেকোনো ধরনের হেলথ কার্ড অবশ্যই দেখাতে হবে। স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্প নিয়ে সরকারি এবং বেসরকারি হাসপাতালে জন্য দুটি নতুন অ্যাডভাইজারি জারি করেছে পশ্চিমবঙ্গ স্বাস্থ্য দপ্তর।

সরকারি হাসপাতালের পক্ষ থেকে রোগীর স্বাস্থ্যসাথী কার্ড করিয়ে দেওয়ার নির্দেশ এর পাশাপাশি বেসরকারি হাসপাতালগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে রোগী প্রকল্পের কোন প্যাকেজের আওতায় চিকিৎসা পাবেন তা দ্রুত নির্ণয় করতে হবে এবং সেই সাথে রোগ নির্ণয়ের খরচ নির্দিষ্ট করে দিয়েছে রাজ্য সরকার।

আরও পড়ুন -  বড় খবর : জল্পনার অবসান! বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিলেন রায়গঞ্জের বিধায়ক কৃষ্ণ কল্যাণী
এক নজরে আজকের সমস্ত ব্রেকিং নিউজ

এছাড়াও সরকারি হাসপাতালে ভর্তি হতে গেলে এবার থেকে স্বাস্থ্য সাথী কার্ড অথবা রাজ্য বা কেন্দ্রের হেলথ স্কিম অথবা ইএসআই প্রকল্পের মধ্যে যেকোনো একটি কার্ড অবশ্যই দেখাতে হবে। যদি স্বাস্থ্য সাথী কার্ড আনতে রোগী ভুলে যায় তাহলে তার আধার নম্বর দিয়ে স্বাস্থ্যসাথী ওয়েবসাইট থেকে প্রকল্পের ইউআরএন নম্বর সংগ্রহ করে নেওয়া হবে। যাদের সরকারি স্বাস্থ্য পরিষেবার কোনরকম কার্ড নেই তারা অন্য সরকারি পরিচয় পত্র জমা দিতে পারবেন।

কটাক্ষ করেছেন দিলীপ ঘোষ : এদিকে এই বিষয়টি নিয়ে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে যথেষ্ট কটাক্ষ ছুঁড়ে দিয়েছেন দিলীপ ঘোষ। বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি বলেছেন, "এতদিন সরকারি হাসপাতালে এটা কেন করা হয়ে ওঠেনি? প্রাইভেট হসপিটালে যেতেই যে রেট দেওয়া হয়েছে, তাতে তারা চালাতে পারছেনা। এক একটা হসপিটালে কয়েক কোটি টাকা ধার হয়ে গিয়েছে। এদিকে তারা বলছে কয়েক হাজার রোগীকে তারা চিকিৎসার পরিষেবা প্রদান করেছে, অথচ রাজ্য সরকার তাদেরকে টাকা দিচ্ছেনা। একটি হাসপাতালে রোগী নেওয়া বন্ধ করে দিয়েছে এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে।
আরও পড়ুন -  SSKM এ কেমন আছেন এখন মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়? কি বলছেন ডাক্তাররা? জেনে নিন

স্বাস্থ্যসাথী প্রোজেক্ট দিয়ে সমস্ত লোককে বোকা বানানো হচ্ছে। সাধারণ মানুষের ভবিষ্যতে কিভাবে চিকিৎসা হবে?  মোদি সরকার বছরে 5 লাখ টাকা দিচ্ছে। আয়ুষ্মান যোজনার অন্তর্গত  এই বীমা রাজ্য সরকার কেন গ্রহণ করছে না? তৃণমূল নিজেদের কর্মীদের ধরে রাখতে গিয়ে সরকারি টাকা শেষ করে দিচ্ছে । ক্লাবকে পূজার সময় টাকা দিতে গিয়ে সরকারি টাকা নয়ছয় করছে। লক্ষীর ভান্ডার হবেনা, স্বাস্থ্যসাথীও হবেনা। সমস্ত ভাঁওতাবাজি খুব শীঘ্রই ধরা পড়বে।" এদিকে দিলীপ ঘোষের এই কটাক্ষের পরিপ্রেক্ষিতে এখনো কোনো মন্তব্য করেনি রাজ্য তৃণমূল কংগ্রেস।

আপনি কী এই নিউজগুলি পড়েছেন? পড়ুন আজকের বাছাই করা ব্রেকিং নিউজের আপডেট

রাজনীতি

তথ্য ও প্রযুক্তি

বিনোদন