আকাশ বার্তা
Next Prev

'ইচ্ছে করে হিন্দু ধর্মের উপর আঘাত হানা হচ্ছে',- মন্ডপসজ্জায় জুতোর ব্যবহার নিয়ে গর্জে উঠলেন রূপা গাঙ্গুলী

'ইচ্ছে করে হিন্দু ধর্মের উপর আঘাত হানা হচ্ছে',- মন্ডপসজ্জায় জুতোর ব্যবহার নিয়ে গর্জে উঠলেন রূপা গাঙ্গুলী

আকাশবার্তা অনলাইন ডেস্ক : চলতি বছরে থিম পূজার ক্ষেত্রে আমরা উল্লেখযোগ্য মন্ডপ হিসেবে বলতে পারি দমদম পার্ক ভারতচক্র পুজোর কথা। অসাধারণ কায়দায় এই পুজোর মন্ডপ সজ্জায় কৃষক আন্দোলনের জ্বলন্ত ছবি ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। মন্ডপসজ্জায় কৃষকদের ক্ষতবিক্ষত পায়ের তলা, জুতো, ধান ভাঙার গান থেকে শুরু করে প্রায় সবকিছুই তুলে আনা হয়েছে। তবে যতই সুন্দর হোক না কেন বিতর্ক কিন্তু পিছু ছাড়েনি। বিশেষত মণ্ডপে জুতো ব্যবহার করার জন্য বারংবার ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত নিয়ে প্রশ্ন উঠে এসেছে।

কি বলছেন ভারতচক্র পুজো কমিটির উদ্যোক্তারা ? : বিভিন্ন মহলে যতই আলোড়ন সৃষ্টি হোক না কেন পুজো কমিটির উদ্যোক্তারা নতি স্বীকার করতে একেবারেই নারাজ। পুজো কমিটির থিম শিল্পী অনির্বাণ দাস জানিয়েছেন,"আমরা মন্ডপসজ্জায় জুতো, চটি সরিয়ে নিয়েছি বলে অপপ্রচার চলছে। বলা হচ্ছে আমরা নতি স্বীকার করেছি। কিন্তু তা ঠিক নয়। নতি স্বীকারের কি আছে? মায়ের পুজো করছি নতি স্বীকার করবো না।" প্রসঙ্গত এর আগেও অনেক পুজো মণ্ডপে নানান রকম আন্দোলনের ছবি উঠে এসেছে। তবে কখনই ভারত চক্রের দুর্গাপুজোর মত বিতর্ক সৃষ্টি হয়নি। এক কথায় বলা যায় এই পুজো কমিটির থিম একেবারেই অন্যরকমের।

আরও পড়ুন-  জুতোর মণ্ডপ বিতর্কে উদ্যোক্তাদের পাশে দাঁড়ালেন ফিরহাদ হাকিম!
এক নজরে আজকের সমস্ত ব্রেকিং নিউজ

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য দিন কয়েক আগেই দুর্গাপুজোর মন্ডপের জুতো ব্যবহার নিয়ে হিন্দুদের ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করা হচ্ছে এমনটাই মন্তব্য করেছিলেন অনেকে। এর পরিপ্রেক্ষিতে জনৈক এক আইনজীবী পুজো উদ্যোক্তাদের আইনি নোটিশ পাঠান। এমনকি গেরুয়া শিবিরের তরফ থেকেও নানান ধরনের কটাক্ষ এবং হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছিল এই পুজো কমিটিকে। এবার এই পূজা নিয়ে সোচ্চার হলেন বিজেপি সাংসদ রূপা গঙ্গোপাধ্যায়। 

আরও পড়ুন-  জনসংযোগ বাড়াতে 'দিদিকে বলো'র মতো 'কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে বলো' আনলো বিজেপি

কি বলেছেন রূপা গঙ্গোপাধ্যায়?  : রূপা গঙ্গোপাধ্যায় বলেছেন, "মানুষ তো খুব মডার্ণ চিন্তা ভাবনা করে। কয়েক বছর আগে দেখেছিলাম মা দূর্গাকে মডার্ণ একটা ড্রেস পরানো হয়েছিলো। চটি দিয়ে মা দূর্গাকে স্বাগত জানানো হচ্ছে। আমি সাধারণ মানুষই হিসাবে বলতে পারি এগুলো হলো হিন্দু ধর্মের উপর এক ধরনের আঘাত করা। ইচ্ছা করে উস্কানিমূলক ব্যবহার করা হচ্ছে। যাতে অনেক মানুষ বিরক্ত হয়, রেগে যায় আর এই বিষয়টি নিয়ে যদি কেউ রেগে দু-চার কথা বলে ফেলে তাহলে সেই বিষয়টা নিয়ে হৈচৈ করা যাবে। আমি শুনলাম একজন নাকি কোর্টে কেস টেস করেছেন। আমার‌ও যদি উকিল কেউ থাকতো আমিও কেস করাতাম। আমি এই বিষয়টি নিয়ে ভীষণ বিরক্ত হয়েছি।"

আপনি কী এই নিউজগুলি পড়েছেন? পড়ুন আজকের বাছাই করা ব্রেকিং নিউজের আপডেট

রাজনীতি

তথ্য ও প্রযুক্তি

বিনোদন