আকাশ বার্তা
Next Prev

কার্তিক মাসের পূর্ণিমার চন্দ্রগ্রহণের দিন এই কাজটি করলে সংসারে কোনদিন অর্থের অভাব হয় না, বলছে জোতিষ শাস্ত্র

কার্তিক মাসের পূর্ণিমার চন্দ্রগ্রহণের দিন এই কাজটি করুন, আসবে অর্থ, সংসার ভরবে সুখ শান্তিতে

আকাশ বার্তা অনলাইন ডেস্ক - হিন্দু শাস্ত্রমতে কার্তিক মাসকে খুবই শুভ এবং কল্যানকর মাস হিসেবে ধরা হয়ে থাকে। কার্তিক মাসে বহু মানুষই শাস্ত্র মেনে বিভিন্ন শুভ কাজ করে থাকে। এমনকি পুণ্য লাভের ক্ষেত্রেও এই মাসকেই বেছে নিতে দেখা যায় সাধারন মানুষকে। যেই কারনে কার্তিক মাসে গঙ্গায় ভীড় লক্ষ্য করা যায়।

মনে করা হয় পুণ্য লাভের ক্ষেত্রে কার্তিক মাসে গঙ্গা স্নান খুবই পবিত্র একটি কাজ। এছাড়াও শাস্ত্র মতে কার্তিক মাসে সমস্ত অভাব অনটন দূর করতে বিশেষ কিছু কাজের কথাও জানানো হয়েছে।তবে চলতি বছরের কার্তিক মাস অন্য আরো একটি কারনে গুরুত্বপূর্ন হয়ে উঠেছে। যার কারন একই সাথে কার্তিক পূর্ণিমা এবং চন্দ্রগ্রহন। যেই দুইয়ের সহাবস্থান মানুষের জীবনে আনতে পারে সুপ্রভাব।

আগামী ১৯ শে নভেম্বর কার্তিক পূর্ণিমা পড়েছে। আবার সেই দিনই দেখা যাবে বছরের শেষ চন্দ্রগ্রহন। জানা গেছে এই দুইয়ের সহাবস্থানের ফলে কিছু কাজ নিয়ম মেনে করলে তা আপনার সংসারের আর্থিক পরিস্থিতি উন্নত করবে সারাজীবনের জন্য। 

এক নজরে আজকের সমস্ত ব্রেকিং নিউজ

কার্তিক পূর্ণিমা ও চন্দ্রগ্রহনের শুভ ফল পেতে যে কাজগুলি করবেন - গঙ্গাস্নান - হিন্দু শাস্ত্র মতে গঙ্গা স্নান করা খুবই পবিত্র একটি কাজ। তবে কার্তিক মাসে যদি আপনি প্রতিদিন গঙ্গাস্নান করেন নিয়ম মেনে সেক্ষেত্রে মনে করা হয় আর্থিক অবস্থা থেকে শারীরিক অবস্থা উন্নতি ঘটে সবকিছুরই। এজন্য আপনি কার্তিক মাসে স্নান করতে পারেন গঙ্গা বা যমুনা নদীতে।

আড়ও পড়ুন -গৃহের কোন ফুল রাখলে কাটে অশান্তি আসে সুখ সমৃদ্ধি ও অর্থ, জানুন কী বলছে বাস্তু

তবে পূর্ণিমার দিন হোক বা কার্তিক মাস জুড়েই হোক আপনাকে স্নান করতে হবে একেবারে কাক ভোরে। যাতে আপনি স্নান করে সূর্যোদয় ঘটার সময় উপাসনা করতে পারেন। মনে করা হয় এতে শারীরিক রোগ মুক্তি ঘটাতে সাহায্য করে। তার সাথেই পরিবারের আর্থিক অভাব কাটাতেও সাহায্য করে। 

সদর দরজায় তোরন - সংসার থেকে অর্থের অভাবের বিদায় ঘটাতে এবং মা লক্ষীর আগমন ঘটাতে কার্তিক পূর্ণিমা খুবই শুভ একটি দিন। তবে এজন্য আপনাকে মেনে চলতে হবে এই নিয়মটি। কার্তিক মাসের পূর্ণিমার দিন আপনি যদি আপনার গৃহের সদর দরজায় একটি তোরন লাগিয়ে দরজার দুই পাশে প্রদীপ জ্বেলে রঙ্গলি করতে পারেন সেক্ষেত্রে মা লক্ষী তুষ্ট হয়ে গৃহের প্রতি কৃপাদৃষ্টি দেয়। যার ফলে অর্থাভাব দূর হয়ে যায়। 

আড়ও পড়ুন -বাড়ির গৃহের প্রবেশ দ্বারে রাখুন এই ১টি জিনিস, গৃহের সুখ শান্তি বজায় থাকবে আজীবন

প্রদীপ দান - শাস্ত্র মতে গৃহের শান্তি বজায় রাখতে এবং অর্থাভাব দূর করতে প্রদীপ দান খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আপনি যদি কার্তিক মাসের পূর্ণিমা তে নদীতে জ্বলন্ত প্রদীপ ভাসিয়ে দেন সেক্ষেত্রে আপনি মা লক্ষীর কৃপা দৃষ্টি পাবেন। এক্ষেত্রে যদি আপনি গঙ্গায় প্রদীপ দান করতে পারেন তা আরো শুভ বলে মনে করা হয়। সেই কারনেই সংসারে অর্থাভাব এবং অভাব অনটন দূর করতে কার্তিক মাসের পূর্ণিমায় নদীতে প্রদীপ দান করতে ভুলবেন না। 

দুধ নিবেদন - শাস্ত্র মতে বলা হয়ে থাকে পিপল গেছে স্বয়ং মা লক্ষী বাস করে থাকেন। সেই কারনেই যদি আপনি কার্তিক পূর্ণিমার দিন এই পিপল গাছে ভক্তি ভরে দুধ এবং জল দেন সেক্ষেত্রে আপনার ওপর মা লক্ষীর কৃপা দৃষ্টি পড়বে। যার প্রভাবে কেটে যাবে আপনার আর্থিক সমস্যা থেকে সংসারে অশান্তি সব কিছুই। 

আড়ও পড়ুন -মহিলারা ঘুম থেকে উঠে তুলসী তলায় গিয়ে করুন এই কাজ, সংসারে ফিরে আসবে লক্ষী, কাটবে খারাপ সময়

ভোগ নিবেদন - কার্তিক পূর্ণিমার দিন মা লক্ষীকে ভোগ নিবেদন অবশ্যই করা উচিত। এক্ষেত্রে মা লক্ষ্মী তুষ্ট হয়ে সংসার এবং আপনার ওপর কৃপা বর্ষণ করবেন। তবে মা লক্ষীকে শুধুমাত্র পায়েশের ভোগ নিবেদন করতে হবে। এক্ষেত্রে তখনই মা লক্ষীকে পায়েশের ভোগ নিবেদন করা শুভ যখন রাতে পূর্ণিমা চাঁদ উঠবে তার পর। এছাড়াও মা লক্ষ্মী তুষ্ট হবেন যদি চিনি ও গঙ্গাজল সহযোগে পায়েস বানিয়ে তা গঙ্গায় নিবেদন করতে পারেন। এর ফলে স্বয়ং মা লক্ষী আপনার গৃহে বাস করবেন।

আপনি কী এই নিউজগুলি পড়েছেন? পড়ুন আজকের বাছাই করা ব্রেকিং নিউজের আপডেট

রাজনীতি

তথ্য ও প্রযুক্তি

বিনোদন