আকাশ বার্তা
Next Prev

জানেন শনিদেবের দৃষ্টি পড়াতে কেনো শিব পুত্র গণেশের মস্তিস্ক আলাদা হয়ে গেছিলো? পড়ুন সেই কাহিনী

জানেন শনিদেবের দৃষ্টি পড়াতে কেনো শিব পুত্র গণেশের মস্তিস্ক আলাদা হয়ে গেছিলো? জানেন সে কাহিনী?

আকাশবার্তা অনলাইন ডেস্ক:- আমাদের এই জীবনে যেমন বিজ্ঞান জড়িয়ে রয়েছে তার পাশাপাশি কিন্তু জড়িয়ে রয়েছে বিভিন্ন ঈশ্বর বা দেব দেবতার পৌরাণিক কিছু গল্প বা কাহিনী।আমাদের মধ্যে এমন অনেকেই আছেন যারা হয়তো এই সমস্ত পৌরাণিক কাহিনী গুলিকে বিন্দুমাত্র বিশ্বাস করেন না। আবার এমন অনেকেই রয়েছেন যাঁরা কিন্তু গভীর মনোযোগ দিয়ে সমস্ত কাহিনী গুলিকে বিশ্বাস করেন। কিন্তু আপনি কি জানেন যে দেবাদিদেব মহাদেবের এবং পার্বতীর পুত্র যাকে আমরা গনপতি বাপ্পা মোরিয়া বা গণেশ নামে চিনে থাকি। তার উপর একসময় অমঙ্গল বৃষ্টি পড়েছিল শনিদেবের কিন্তু কেন জানি সেই ঘটনা বিস্তারিত ভাবে।

এক নজরে আজকের সমস্ত ব্রেকিং নিউজ

কেন শনিদেবের অমঙ্গল দৃষ্টি পড়েছিল:

আমরা জানি যে শনি দেবের দৃষ্টি অত্যন্ত অমঙ্গল এবং এটি শুধুমাত্র যে মানুষের উপর প্রভাব ফেলে তেমনটা কিন্তু নয়। দেবতাদের উপরেও কিন্তু এর প্রভাব পড়তে পারে। শনিদেবের দৃষ্টিতে রীতিমতো ধ্বংস হয়ে যেতে পারে জীবন। আর ঠিক সেই ঘটনার প্রমাণ পাওয়া গিয়েছিল গণেশের উপর। শনিদেবের অমঙ্গল দৃষ্টি গণেশের উপর ব্যাপক প্রভাব সৃষ্টি করেছিল। এমনকি তার মাথা দেহ থেকে সম্পূর্ণ রকম ভাবে আলাদা হয়ে গিয়েছিল। কেন হয়েছিল জানুন বিস্তারিত ভাবে।

আরও পড়ুন - বাড়িতে তুলসী গাছ থাকলে এই কাজগুলি ভুলেও করবেন না, সংসার শেষ হয়ে যাবে!

কি ঘটেছিল সেদিন:

দেবাদিদেব মহাদেব এবং দেবী পার্বতী ঈশ্বর সন্তান লাভের আশায় বিষ্ণু  দেবের পুজো শুরু করেছিলেন নিষ্ঠাভরে। বিষ্ণুদেব তাদের প্রতি সন্তুষ্ট হয়েছেন এবং এমনটা জানিয়েছিলেন যে পার্বতী সন্তান হিসেবে তিনি তার গর্ভে আসবেন। সেইমতো পার্বতীর গর্ভে পুত্র সন্তান আসে।এই পুত্রের জন্ম উপলক্ষে  সকল দেবদেবী উৎসব করছিলেন।এবং সেই উৎসবে সূর্যের পুত্র শনি উপস্থিত ছিলেন কিন্তু  শনিদেব ওই  শিশুটির দিকে তাকাতে ইতস্তত করছিলেন।কারণ শনির দৃষ্টি অমঙ্গলজনক।

আরও পড়ুন - বাড়িতে প্রাত্যহিক জীবনে ঘটে যাওয়া এই ঘটনাগুলি আমাদের জীবনে খারাপ কিছুর ইঙ্গিত বহন করে!

কিন্তু পার্বতীর কথাতে শনি শিশুটির দিকে তাকাতে বাধ্য হয়েছিলেন। আর শনিদেবে তাকানোতে মুহুর্তের মধ্যে শিশুর মস্তক ছিন্ন হয়ে গোলোকেচলে যায়। তখন বিষ্ণুদেব গরুড়ের পিঠে চড়ে পুষ্পভদ্র নদীর তীরে এসে উপস্থিত হয়ে  সেখান থেকে একটি বাচ্চা হাতির মাথা নিয়ে ফিরে আসেন। এরপর মাতা পার্বতী শিশুর মুণ্ডহীন দেহে  ওই হাতির মাথাটি বসায় এবং তারপর ওই শিশুটি  প্রাণ ফিরিয়ে আনা হয়।

আপনি কী এই নিউজগুলি পড়েছেন? পড়ুন আজকের বাছাই করা ব্রেকিং নিউজের আপডেট

রাজনীতি

তথ্য ও প্রযুক্তি

বিনোদন